অবশেষে সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার ওয়াটসন

মহামারীর এই সময় অবশেষে সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার ওয়াটসন। দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়ে অবশেষ ক্ষান্ত দিলেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অলরাউন্ডার গ্রায়েম ওয়াটসন। শুক্রবার ৭৫ বছর বয়সে অস্ট্রেলিয়ার একটি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন এ পেস বোলিং অলরাউন্ডার।

১৯৪৫ সালে ভিক্টোরিয়াতে জন্ম নেয়া গ্রায়েম ওয়াটসন মার্চ মাসের ৮ তারিখ পূরণ করেছেন জীবনের ৭৫ বছর। তবে এ সংখ্যাটিকে আর বাড়াতে পারলেন না তিনি। ক্যান্সারের কাছে হার মেনে থামলেন ৭৫ বছর ৪৭ দিন বয়সে।

অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে ৫ টেস্ট ও ২ ওয়ানডে খেলেছেন ওয়াটসন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৭২ পর্যন্ত বিস্তৃত আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে সফলতা পাননি তিনি। টেস্টে ১ ফিফটিতে ৯৭ ও ওয়ানডেতে করেছেন ১১ রান। এছাড়া টেস্টে ৬ ওয়ানডেতে রয়েছে ২টি উইকেট।

তবে বেশ বর্ণিল ছিলো তার ঘরোয়া ক্যারিয়ার। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে তিনটি ভিন্ন রাজ্যদলের হয়ে খেলেছেন শেফিল্ড শিল্ডে। ভিক্টোরিয়াতে জন্ম হলেও তিনি খেলেছেন ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া এবং নিউ সাউথ ওয়েলসের হয়েও।

১৯৬৬-৬৭ মৌসুমে ডগ ওয়াল্টারের ইনজুরিতে রোডেশিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার সফরের দলে ডাক পান ওয়াটসন। কেপটাউনে সে সফরের দ্বিতীয় টেস্টে অভিষেক হয় ওয়াটসনের। পুরো সফরে এই একটি ম্যাচেই জয়লাভ করে অস্ট্রেলিয়া। ওয়াটসন খেলেন ৫০ রানের ইনিংস, বল হাতে থাকেন উইকেটশূন্য।

তবে নিজের প্রথম টেস্টেই পড়েন গোড়ালির ইনজুরিতে। খেলতে পারেননি সিরিজের পরের ম্যাচ। জোহানেসবার্গে সিরিজের চতুর্থ টেস্টে দলে ফিরে ক্যারিয়ার সেরা ৬৭ রানে ২ উইকেট শিকার করেন তিনি। তবে এর বাইরে ব্যাটে-বলে তেমন অবদান রাখতে পারেননি তিনি। অস্ট্রেলিয়াও হেরে যায় সেই সিরিজ।

পুরো ক্যারিয়ার জুড়েই ইনজুরি ছিল ওয়াটসনের জন্য বড় বাধা। ১৯৭১-৭২ মৌসুমে টনি গ্রেইগের এক বিমারে মরতেই বসেছিলেন ওয়াটসন। তার চিকিৎসকরা তখন পরামর্শ দিয়েছিল খেলা ছেড়ে দিতে। কিন্তু ছয় সপ্তাহ পরই মাঠে নেমে যান তিনি এবং ১৯৭২ সালের ইংল্যান্ড সফরে খেলেন ক্যারিয়ারের শেষ দুই টেস্ট।

প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে ভিক্টোরিয়া, ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া এবং নিউ সাউথ ওয়েলসের হয়ে মোট ১০৭ ম্যাচ খেলেছেন ওয়াটসন। এর মধ্যে ১৯৭১-৭৫২, ১৯৭২-৭৩ ও ১৯৭৪-৭৫ মৌসুমে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার হিয়ে দারুণ অবদান রাখেন তিনি। ১৯৭৭ সালে নিউ সাউথ ওয়েলসের হয়ে ক্যারিয়ার শেষ করেছেন এ পেস বোলিং অলরাউন্ডার।

সূত্রঃ city24news

৫০০০+ মজদার রেসিপির জন্য Google Play store থেকে Install করুন “Bangla Recipes” মোবাইল app…. 🙂
.
মোবাইল app Download Link >>> Bangla Recieps App

Loading...