পাড়ার মোড়ে ফুচকা ওয়ালার প্রেমে পড়ে স্বামীর কাছে ডিভোর্স চাইলো নববধূ…

সম্পর্ক এক অদ্ভুত জিনিস, এটি কি কারনে কার সাথে কখন হয় কেউ তা আগে থেকে বলতে পারে না। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই সম্পর্ক অনেক দূর, সুদুর গামী হয়, বহু বছর, এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত। আবার মুহূর্তে ভেঙ্গে যায় কিছু সম্পর্ক। অনেকে বলে থাকেন যে প্রতিটা সম্পর্কের পেছনে একটা ব্যাক্তিগত স্বার্থ থাকে।

বর্তমান দিনে এই ব্যাক্তিগত স্বার্থপরের পরিমান বেড়েই চলেছে, মানুষ এতো ব্যাক্তিগত আনন্দ বা সুখকে গুরুত্ব দিচ্ছে যে তার পক্ষে অন্তর বস্তুকে লালন পালন করে নিজেকে এক সৎ দিশা দেখানো সম্ভব হচ্ছে না, কেউ কারুর জন্যে কম্প্রমাইস করতে চাইছে না।

এই সমস্ত নানা কারনে বিয়ের পরেই স্বামী স্ত্রির মধ্যে ডিভোর্স হয়ে যাচ্ছে। এই ডিভোর্সের পেছনে শুধু উপরে বর্ণনা করা কারন গুলোই যথেষ্ট নয়। নিজেদের মধ্যে ঝগড়ার কারনে বা মন মালিন্যের কারনেও ডিভোর্স স্বাভাবিক।

এরকম এখন আখছার হচ্ছে আমাদের চারপাশে, এতে আশ্চর্য হওয়ার মতো ঘটনা তেমন কিছুই নেই, এই ধরনের ডিভোর্স এখন দৈনন্দিনকার ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু তা বলে এক ফুচকা ওয়ালার প্রেমে পড়ে ডিভোর্স শুনেছেন কখনও আপনারা ? না না ইয়ার্কি করছি না, এরমটাই শোনা যাচ্ছে, একদম সত্যি ঘটনা।

জানা গেছে যে আজ থেকে প্রায় দেড় বছর আগে জয়শ্রী ও প্রকাশ, দুজনে বিয়ে করে। তারা দুজনেই হল কৃষ্ণনগরের বাসিন্দা, বিয়ের কিছু আগে থেকেই জয়শ্রী এবং প্রকাশের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয় এবং তা দিন দিন বাড়তেই থাকে।

ইতি মধ্যে প্রকাশের কারখানাটি, মানে প্রকাশ যে কারখানায় কাজ করত সেটি বন্ধ হয়ে যায়। ফল সে বেকার হয়ে যায় এবং কাজের সন্ধানে এদিক ওদিক ঘুরতে থাকে। এই টানাপড়েন সামলাবার জন্য জয়শ্রী কিছু টিউশানি করতে শুরু করে।

কিন্তু তাতেও সংসার চালানো কষ্টকর হয়ে ওঠে, এই সবে বিরক্ত হয়ে মাঝে মাঝেই প্রকাশের কাছে ডিভোর্স চাইতো জয়শ্রী। এরম চলতে চলতে একদিন পাড়ার মোড়ে ফুচকা ওয়ালার ফুচকা খেয়ে তার প্রেমে পড়ে যায় জয়শ্রী এবং ওই ফুচকা ওয়ালাকে বিয়ে করে নিজের বাকি জীবনটা কাটাতে চায় সে।

Loading...